মঙ্গলবার, ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:৩১

**ইরানের তেল মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসছে: যুক্তরাষ্ট্রের দাবি**

সমুদ্রে আটকে থাকা ইরানের তেলের মজুত দ্রুত কমে আসছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, বর্তমানে সমুদ্রে প্রায় ৩ কোটি ব্যারেল ইরানি তেল আটকে আছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, চীন থেকে ইরান তেলের অর্থ পেলেও সমুদ্রে আটকে থাকা এই তেলের মজুত একসময় শেষ হয়ে যাবে। এর মাধ্যমে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়বে বলে মনে করছে ওয়াশিংটন।
যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো এই অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে ইরানকে আবার আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা। বেসেন্ট বলেন, চীনের সহযোগিতা না পেলেও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার চাপ ধরে রাখার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।
ইরানের সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা চীন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে চীনের ইরানি তেল কেনার পরিমাণও কমেছে। রয়টার্সের হিসাবে, আগস্টে চীন প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫ লাখ ৩৪ হাজার ব্যারেল ইরানি অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে। বছরের শুরুর দিকে এই পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ প্রায় ১৫ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল।
ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে গত ২৪ আগস্ট ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। এর আওতায় ইরানের আর্থিক ও বাণিজ্যিক নেটওয়ার্কের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে। ইরানের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
বেসেন্ট বলেন, ইরান মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে। তার দাবি, অর্থনৈতিকভাবে চাপের মুখে পড়ায় ইরান সামরিক হামলার মাধ্যমে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।
অর্থাৎ, সামরিক হামলার পাশাপাশি ইরানের তেল বিক্রি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সীমিত করেও তেহরানের ওপর চাপ বাড়াতে চাইছে ওয়াশিংটন।
পুরাতন সংবাদ পড়ুন
« ফেব্রুয়ারি ২০২৬ »
সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
      
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮ 

অনুসরণ করুন