ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বড় ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, সোমবার থেকে তেহরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক অভিযান শুরু হতে পারে। একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রাখা দেশগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
এর পাল্টা জবাবে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, অর্থনৈতিক যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি হতে দেওয়া হবে না। হরমুজ প্রণালি বা পারস্য উপসাগরের অন্য কোনো পথে তেল রপ্তানি বন্ধের হুমকি দিয়েছেন তিনি। এতে মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞার আগেই মূল্যস্ফীতি, দুর্বল মুদ্রা, জ্বালানি সংকট ও যুদ্ধের কারণে চাপে রয়েছে ইরানের অর্থনীতি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সরাসরি আলোচনা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলেও কাতার, পাকিস্তান ও তুরস্ক কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা করছে। এর অংশ হিসেবে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির সোমবার তেহরান সফর করবেন বলে জানিয়েছে ইরান।















