রবিবার, ১৬ই আগস্ট ২০২৬, রাত ৪:৫৬

গ্যাস সংকটে চিনি বাজারে বেড়েছে অস্থিরতা

দেশে চলমান গ্যাস সংকটে বিপর্যস্ত জনজীবন। জ্বলছে না চুলা, গ্যাস পেতে সিএনজিচালিত যানবাহনকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে ফিলিং স্টেশনে। তবে, গ্যাস সংকটের সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে শিল্প কারখানার উৎপাদনে।
গ্যাসের চাপ না থাকায় বন্ধ রাখা হয়েছে দেশের অসংখ্য শিল্প কারখানা। এরমধ্যে গত তিন দিন বন্ধ রয়েছে দেশের শীর্ষ চিনি উৎপাদনকারী কারখানাগুলো। আগামী কয়েকদিনে কোম্পানিগুলোর কাছে থাকা চিনির মজুত শেষ হলে দেশজুড়ে সরবরাহ চেইনে বড় ধাক্কার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এরই মধ্যে বাজারে কমেছে চিনির সরবরাহ। পাশাপাশি বাড়তে শুরু করেছে দাম। দেশের বৃহৎ পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে গত তিন দিনে প্রতি মণ চিনির দাম বেড়েছে ৭০-৭৫ টাকা। শনি-রোববার থেকে এ দাম আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি সরবরাহ কমে গেলে চিনির অন্যতম ব্যবহারকারী হিসেবে খাদ্যপণ্য প্রস্তুতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দেশে গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট হলেও বর্তমানে সরবরাহ নেমে এসেছে ২ হাজার ১০০-২ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুটে। এতে চট্টগ্রামসহ সারা দেশে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে, বন্ধ হয়ে গেছে অনেক শিল্পকারখানা।
পেট্রোবাংলার তথ্যমতে, দেশীয় উৎস থেকে ২ হাজার ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এলএনজি আমদানির মাধ্যমে আরও ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে। তবে গত ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন লাগার পর সরবরাহ ব্যাহত হয়। পরে ৫ আগস্ট আংশিক সরবরাহ শুরু হলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সামিটের এফএসআরইউ তিন দিন এলএনজি খালাস বন্ধ রাখায় সংকট আরও তীব্র হয়।
তবে শুক্রবার বিকেল থেকে সামিটের টার্মিনালে আবার এলএনজি খালাস শুরু হয়েছে। আরপিজিসিএলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এর ফলে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে এবং শনিবার থেকে গ্যাসের চাপ আরও স্বাভাবিক হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
পুরাতন সংবাদ পড়ুন
« জুলাই ২০২৭ »
সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
   
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১ 

অনুসরণ করুন