জাপানের দক্ষিণাঞ্চলে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে, পাশাপাশি কয়েকজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
এপি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান দ্বীপ কিউশুর কুমামোতো এলাকায় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানান, নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে রাতভর অভিযান চালানো হয়েছে এবং উদ্ধারকাজ এখনো অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, নিহতদের পাশাপাশি অনেক মানুষ আহত হয়েছেন এবং কয়েকজনের খোঁজ এখনো পাওয়া যায়নি।
ভূমিকম্পের পর কুমামোতো এলাকার একটি শপিং সেন্টারের অংশ ধসে পড়ে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লিকের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া একটি কাগজ কারখানার বিশাল চিমনিও ভেঙে পড়ে।
দেশটির দমকল বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কাশিমা শহরের এইয়ন মলের দ্বিতীয় তলা ধসে পড়ায় সেখানে কয়েকজন আটকা পড়েন। একই সময়ে নিপ্পন পেপার ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানির ইয়াতসুশিরো কারখানার একটি বড় চিমনি ধসে পড়ে। কুমামোতোর জরুরি উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, ওই ধ্বংসস্তূপের নিচেও কয়েকজন আটকা পড়েছেন।
জাপানের ফায়ার অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর ২ লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাদের অধিকাংশই কুমামোতো প্রিফেকচারের বাসিন্দা। পাশাপাশি পাশের নাগাসাকি প্রিফেকচারেও সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা জাপানের রাজধানী টোকিও থেকে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।

















