মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৩:১৩

দুই বছর পর ওয়ানডে দলে ফিরছেন কামিন্স

প্রায় দুই বছর পর আবারও ওয়ানডে ক্রিকেটে ফিরতে পারেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। তবে তাঁর এই প্রত্যাবর্তনের পেছনে মূল লক্ষ্য ওয়ানডে নয়, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতি নেওয়া। সেই প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের কয়েকটি ম্যাচে মাঠে নামার পরিকল্পনা করছেন এই অস্ট্রেলিয়ান পেসার।

কামিন্সের পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ওয়ানডে দলে ফিরতে পারেন মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজেলউডও। বিশ্বকাপের পর থেকে তারাও ওয়ানডেতে নিয়মিত ছিলেন না। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর কামিন্স খেলেছেন মাত্র দুটি ওয়ানডে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে মেলবোর্ন ও অ্যাডিলেইডে হওয়া ম্যাচ দুটিই ছিল তার সর্বশেষ ওয়ানডে। সেই সিরিজেই শেষবার অস্ট্রেলিয়ার হয়ে একই সঙ্গে খেলেছিলেন কামিন্স, স্টার্ক ও হ্যাজেলউড।
চোট, বিশ্রাম এবং টেস্ট ক্রিকেটকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণে গত দুই বছরে ওয়ানডে থেকে দূরেই ছিলেন কামিন্স। তার অনুপস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে নেতৃত্ব দিয়েছেন স্টিভেন স্মিথ, মিচেল মার্শ ও জশ ইংলিস।
স্টার্ক ও হ্যাজেলউডের ওয়ানডে উপস্থিতিও ছিল সীমিত। ২০২৩ বিশ্বকাপের পর অস্ট্রেলিয়া ২৮টি ওয়ানডে খেললেও স্টার্ক মাঠে নেমেছেন মাত্র সাতটিতে, আর হ্যাজেলউড খেলেছেন ১১টি। দুজনের সর্বশেষ ওয়ানডে ছিল গত বছরের অক্টোবরে ভারতের বিপক্ষে।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরু হবে আগামী ৯ অক্টোবর। তার আগে ২৪ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়ার কথা তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। এর আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে অস্ট্রেলিয়া, তবে সেই সিরিজে থাকছেন না কামিন্স।
বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শেষ করে কামিন্স জানিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় ওয়ানডে সিরিজের কিছু ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে তার। তবে তার মনোযোগ থাকবে লাল বলের ক্রিকেটেই। ফক্স স্পোর্টসকে দেওয়া আলোচনায় তিনি জানিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়ানডে সিরিজের ছয় ম্যাচের মধ্যে সম্ভবত এক থেকে তিনটিতে খেলতে পারেন।
কামিন্সের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাংলাদেশের সিরিজের পর কিছুদিন বোলিং থেকে বিরতি নিয়ে জিমে অনুশীলন করবেন তিনি। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের প্রস্তুতি শুরু করবেন। স্টার্ক ও হ্যাজেলউডও ফক্স স্পোর্টসের সঙ্গে আলাপে প্রায় একই ধরনের পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ওয়ানডেতে ফেরার তাৎক্ষণিক কারণ টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতি হলেও আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপও অস্ট্রেলিয়ার পরিকল্পনায় রয়েছে। শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে দক্ষিণ আফ্রিকায় বেশিরভাগ ম্যাচ খেলবে অস্ট্রেলিয়া।
এবার দক্ষিণ আফ্রিকার ভিন্ন কন্ডিশন, অপরিচিত পিচ এবং আলাদা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে অস্ট্রেলিয়াকে। তবে এই ভিন্নতাই টেস্ট ক্রিকেটের সৌন্দর্য বলে মনে করেন কামিন্স। নতুন পরিবেশে কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে তাই মুখিয়ে আছেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক।
পুরাতন সংবাদ পড়ুন
« মার্চ ২০২৬ »
সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
      
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১     

অনুসরণ করুন