মঙ্গলবার, ৩০শে জুন ২০২৬, দুপুর ১২:৪০

নেইমারের কামব্যাকে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে দাপুটে জয় ব্রাজিলের

নিজেদের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার জুনিয়রকে পেতে ৭৮১ দিন অপেক্ষা করতে হয়েছে ব্রাজিলকে। চোটজর্জর এই তারকার প্রত্যাবর্তনের ম্যাচটি অবশ্য তিনি মাঠে নামার আগেই রাঙিয়ে দিয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ম্যাথিউস কুনহা। যাতে ভর করে স্কটল্যান্ডকে ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে নকআউট রাউন্ডে উঠল ব্রাজিল। 

মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধেই দ্বিগুণ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল স্কটল্যান্ড। বিরতির পর তারা ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালায়। তবে কিছুতেই গোলের দেখা পাচ্ছিল না স্কটিশরা। গোললাইন থেকে একাধিক বল ফেরত পাঠিয়ে তাদের হতাশ করেছেন অ্যালিসন বেকার। এরই মাঝে ৬০ উল্টো তাদের আবারও পিছিয়ে দিলেন কুনহা। ম্যাচে ব্রুনো গুইমারেসের দ্বিতীয় অ্যাসিস্টে তিনি আসরের তৃতীয় গোলটি করলেন।

যথারীতি গোলের পর সার্ফারদের মতো উত্তাল ঢেউয়ে ভারসাম্য রক্ষার সেই উদযাপন কলেন কুনহা। সেই নাচে যোগ দিলেন লুকাস পাকেতা, আর গ্যালারিতে মাতোয়ারা পুরো হলুদ শিবির। অনেকদিন ধরে নম্বর নাইন খুঁজে ফেরা ব্রাজিল যেন উপযুক্ত ব্যক্তিকে পেয়ে গেল এবারের বিশ্বকাপে। আগের ম্যাচে কুনহা হাইতির বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন।

এর আগে ম্যাচের মাত্র সাত মিনিটেই ব্রাজিলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। স্কটল্যান্ড সেন্টারব্যাক স্কট ম্যাককেনার দুর্বলতায়সুযোগটা বলতে গেলে উপহার হিসেবেই তিনি পেয়েছিলেন। স্কটিশ গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গুনকে কাটিয়ে যা ঠাণ্ডা মাথায় তিনি জালে জড়ান। এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দারুণ এক হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ভিনিসিয়ুস। তার উদ্দেশে ক্রস বাড়িয়ে ছিলেন গুইমারেস। লাফিয়ে সেটিকে জালে পৌঁছে চলতি বিশ্বকাপে নিজের চতুর্থ গোল পেলেন ভিনি। এরপর নাচলেন কর্নার ফ্ল্যাগ ধরে।

আরও বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট না করলে ব্রাজিলের জয়ের ব্যবধানটা বাড়তে পারত। তবে ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবরের পর নেইমারের প্রত্যাবর্তন এবংসিগ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ওঠায় সেই আক্ষেপ আর থাকার কথা নয় সেলেসাওদের। এ ছাড়া দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের রক্ষণে একের পর হানা দেওয়া স্কটল্যান্ডকে রুখে দিতে দুর্দান্ত সব সেভ করেছেন ব্রাজিল গোলরক্ষক অ্যালিসন। বিশেষ করে স্কটিশ প্রধান তারকা স্কট ম্যাকটোমিনের একাধিক প্রচেষ্টা ছিল অনবদ্য।

ব্রাজিল প্রথমার্ধে পজেশনে পিছিয়ে থাকলেও, দ্বিতীয়ার্ধে তারা বলের বেশিরভাগ নিয়ন্ত্রণ দখলে নিয়েছে। পাশাপাশি গোলের জন্য ২১টি শট নিয়ে ৮টিই লক্ষ্যে ছিল আনচেলত্তির শিষ্যদের। বিপরীতে স্কটল্যান্ড ৯ শটের ৫টি লক্ষ্যে রাখতে পারে। ৩ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে ব্রাজিল শীর্ষে এবং স্কটল্যান্ড ৩ পয়েন্ট নিয়ে তিনে থেকে শেষ করল।  

পুরাতন সংবাদ পড়ুন
« জুন ২০২৬ »
সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০     

অনুসরণ করুন