হাসান মাহামুদ: বাংলার মৃত্তিকার কবি, মুক্তিযোদ্ধা ও সাহিত্য সম্পাদক আল মুজাহিদী-এর স্মরণে রাজধানীর বাংলা একাডেমির আল মাহমুদ কর্নারে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে এক স্মরণসভা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাহিত্য সংগঠন কবিতা বাংলাদেশ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিশোরকণ্ঠ সম্পাদক কবি মোশাররফ হোসেন খান। প্রধান অতিথি ছিলেন কবি ও গবেষক ড. মাহবুব হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি সোলায়মান আহসান, কবি হাসান আলীম, কথাসাহিত্যিক নাজিব ওয়াদুদ, কবি শরীফ আবদুল গোফরান এবং কবি নাসির হেলাল।
কবিতা বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক কবি ও গবেষক মাহফুজুর রহমান আখন্দ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় বক্তব্য দেন কবি মুহাম্মদ আবদুল বাতেন, কবি হারুন ইবনে শাহাদাত, দেশীয় সংস্কৃতি সংসদের সেক্রেটারি ড. মোস্তফা মানোয়ার, সাংস্কৃতিক সংগঠক আবেদুর রহমান, লেখক ও গবেষক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, নতুন এক মাত্রা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক ড. ফজলুল হক তুহিন এবং কবি হাসিনা মমতাজ।
স্মরণসভায় আবৃত্তিশিল্পী মাহবুব মুকুল ও কবি আরিফ হোসেন সবুজ প্রয়াত কবির কবিতা আবৃত্তি করেন। এছাড়া কবি শহীদ সিরাজী, কবি নাসরিন ইসলাম শেলীসহ অন্যরা তাঁকে উৎসর্গ করে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন।
বক্তারা বলেন, আল মুজাহিদী ছিলেন বাংলা কবিতার এক স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, দেশপ্রেম, মানবপ্রেম এবং যুদ্ধবিরোধী মানবিক দর্শন তাঁর কাব্যচর্চার প্রধান উপজীব্য। একজন সাহিত্য সম্পাদক ও সংগঠক হিসেবে তিনি নবীন লেখক তৈরিতে এবং সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্র সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অঙ্গনে তাঁর অবদান দীর্ঘদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হবে বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত কবি, সাহিত্যিক, গবেষক, আবৃত্তিশিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং সাহিত্যপ্রেমীরা অংশ নেন। স্মরণসভায় প্রয়াত কবির সাহিত্যকর্ম সংরক্ষণ, মূল্যায়ন এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর সৃষ্টিশীল অবদান তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।















