শনিবার, ১১ই জুলাই ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:৫২

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। ইতোমধ্যে তিনি প্রয়োজনীয় সংখ্যক লেবার পার্টির আইনপ্রণেতার সমর্থন প্রায় নিশ্চিত করেছেন। শুক্রবার (১০ জুলাই) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবার পার্টির আইনপ্রণেতাদের বিপুল সমর্থন পাওয়ায় কিয়ার স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে অ্যান্ডি বার্নহ্যামের নিয়োগ প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে। তিনি যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন।

বার্নহ্যাম বলেন, বৃহস্পতিবার মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রথম দিনেই তিনি লেবার পার্টির ৪০৩ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ৩২২ জনের সমর্থন পেয়েছেন। ফলে আর মাত্র একজন লেবার আইনপ্রণেতার সমর্থন পেলেই তার অবস্থান নিশ্চিত হবে।

নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করে প্রকাশিত একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বার্তায় বার্নহ্যাম বলেন, ‘সবকিছু এখন খুব বাস্তব মনে হতে শুরু করেছে।’

লেবার পার্টির নেতৃত্বের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী বৃহস্পতিবার। আগামী শুক্রবার বার্নহ্যামকে আনুষ্ঠানিকভাবে লেবার পার্টির নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হবে। এরপর ২০ জুলাই তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে।

বার্নহ্যাম ৩২৩টি মনোনয়ন পেয়ে গেলে স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার প্রতিযোগিতায় প্রয়োজনীয় ৮১টি সমর্থন জোগাড় করা অন্য কোনো প্রার্থীর পক্ষে সম্ভব হবে না।

লেবার পার্টির কয়েকজন সংসদ সদস্য জানিয়েছেন, তারা বৃহস্পতিবার ভোট দিতে পারেননি। তবে সোমবার সংসদে ফিরে বার্নহ্যামকে সমর্থন করবেন।

বুধবার রাতে সাবেক প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী আল কার্নস বার্নহ্যামের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার ঘোষণা দেন। এর ফলে বার্নহ্যামের পথ কার্যত নিশ্চিত হয়ে গেছে।

লেবার পার্টির আইনপ্রণেতাদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। জনমত জরিপ বলছে, লেবার সমর্থকদের কাছেও তিনি অন্যতম জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ। প্রায় এক দশক ধরে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার কারণে তিনি ‘কিং অব দ্য নর্থ’ নামেও পরিচিত।

২০০১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত লি আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন বার্নহ্যাম। ওই সময়ে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

এর আগে দলীয় প্রধান হওয়ার লড়াইয়ে আরও দুবার অংশ নিয়েছিলেন বার্নহ্যাম। এর মধ্যে ২০১০ সালে এড মিলিব্যান্ড এবং ২০১৫ সালে জেরেমি করবিনের কাছে পরাজিত হন তিনি।

পুরাতন সংবাদ পড়ুন
« ডিসেম্বর ২০২৬ »
সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১   

অনুসরণ করুন