শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৩২টি কোম্পানির লভ্যাংশের চিত্রে বড় ব্যবধান দেখা গেছে। এর মধ্যে ১০টি কোম্পানি শুধু সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেবে। সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ইউনাইটেড পাওয়ার। অন্যদিকে, লোকসানে থাকা ৪টি কোম্পানিও লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। তবে ৯টি কোম্পানি কোনো লভ্যাংশ দিচ্ছে না।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ইউনাইটেড পাওয়ার ৬০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে এমজেএল বাংলাদেশ। এ ছাড়া তমিজউদ্দিন টেক্সটাইল ১৩ শতাংশ এবং আমান ফিড ও সামিট পাওয়ার ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
৩২ কোম্পানির মধ্যে ১০ কোম্পানি শুধু সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেবে। কোম্পানিগুলো হলো : তমিজউদ্দিন টেক্সটাইল, আমান ফিড, আমান কটন, সোনারগাঁও টেক্সটাইল, ন্যাশনাল পলিমার, জেএমআই হসপিটাল, বিডি অটোকারস, গোল্ডেন হার্ভেস্ট, ওরিজা অ্যাগ্রো ও ড্রাগন সোয়েটার।
অন্যদিকে, শেয়ারপ্রতি লোকসান থাকা সত্ত্বেও আলহাজ টেক্সটাইল, গোল্ডেন হার্ভেস্ট, বিবিএস কেব্লস ও ড্রাগন সোয়েটার যথাক্রমে ১ শতাংশ, ১ শতাংশ, শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ ও শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
তবে আজিজ পাইপস, জিলবাংলা সুগার, শ্যামপুর সুগার, জিএসপি ফাইন্যান্স, উসমানিয়া গ্লাস, বিবিএস, ইনফরমেশন সার্ভিসেস, জাহিন স্পিনিং ও পেনিনসুলা চিটাগাং কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি। এসব কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় ঋণাত্মক।
তথ্য অনুযায়ী, লভ্যাংশের হার ও কোম্পানিগুলোর শেয়ারপ্রতি আয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। কোনো কোম্পানির আয় বেশি হলেও লভ্যাংশের হার তুলনামূলক কম, আবার লোকসানে থাকা কয়েকটি কোম্পানিও লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।

















