মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৩:২৯

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ৯০ শতাংশ কমে গেছে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল প্রায় ৯০ শতাংশ কমে গেছে। এর ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে তেল পরিবহন ও বাণিজ্য কার্যক্রম বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে। 

শিপিং গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে মাত্র ১৩টি জাহাজ চলাচল করেছে। পরদিন রোববার এ সংখ্যা আরও কমে চারটিতে নেমে আসে। যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন অসংখ্য জাহাজ চলাচল করলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।

যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনসের তথ্য অনুযায়ী, ২১ আগস্ট শেষ হওয়া সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ৮৯টি জাহাজ বের হয়েছে এবং ১০৩টি জাহাজ প্রবেশ করেছে।

চলমান সংকটে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ইরাকের ওপর। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বাসরা বন্দর দিয়ে তেল রপ্তানিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। জুলাইয়ে ইরাকের দৈনিক তেল রপ্তানি গড়ে প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেলে নেমে আসে। অথচ যুদ্ধের আগে বন্দরটি থেকে প্রতিদিন ৩৩ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল রপ্তানি করা হতো।

হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমাতে বিকল্প রপ্তানি পথ তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছে বাগদাদ। তুরস্ক, সিরিয়া ও জর্ডানের ভূখণ্ড ব্যবহার করে তেল পরিবহনের পাশাপাশি সিরিয়ার বানিয়াস বন্দরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে নতুন পাইপলাইন নির্মাণের পরিকল্পনাও বিবেচনা করা হচ্ছে।

তবে এই পাইপলাইন নির্মাণে প্রায় চার বছর সময় লাগতে পারে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হতে পারে অন্তত ১৫ বিলিয়ন ডলার। ফলে হরমুজের বিকল্প রপ্তানি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ইরাককে দীর্ঘ সময় ও বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে।

পুরাতন সংবাদ পড়ুন
« ফেব্রুয়ারি ২০২৭ »
সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮

অনুসরণ করুন