মঙ্গলবার, ৩০শে জুন ২০২৬, দুপুর ২:৩৭

হাতিমারা গরু-ছাগল কমে যাওয়ার কারণ কী

আসন্ন আসন্ন কোরবানির ঈদ (ঈদুল আজহা) ঘিরে গবাদিপশুর বাজার সরগম হয়ে উঠেছে। সরকারি হিসাবে দেশে চাহিদার তুলনায় বেশি আছে কোরবানিযোগ্য পশু। বিভিন্ন জেলা থেকেও একই খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের হাতিমারা। চাহিদার তুলনায় কোরবানিযোগ্য পশুর ঘাটতি রয়েছে।

প্রণিসম্পদ বিভাগের তথ্যমতে–চাঁদপুরে ২২৫টি হাট কোরবানির পশু বিক্রি হবে। কোরবানির জন্য সম্ভাব্য চাহিদা রয়েছে ৭৫ হাজার ২৪৮ গবাদিপশু। প্রস্তুত রয়েছে ৬৬ হাজার ৯৮টি। সংকট রয়েছে নয় হাজার ১৫০টি।

স্থানীয়দের মতে, পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মিলনস্থলে অবস্থিত এই জেলা মূলত মৎস্যনির্ভর অর্থনীতি। ইলিশ মাছের অন্যতম প্রজনন অঞ্চল। জেলার প্রায় অর্ধেকের কাছাকাছি মানুষ মৎস্য পেশার সঙ্গে জড়িত। গবাদিপশু যারা লালন-পালন করেন তারা নানামুখী সংকটে আছেন। পর্যাপ্ত সুবিধা না পাওয়ার কারণে অনেকে গবাদিপশু লালন-পালন থেকে সরে যাচ্ছেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় তালিকাভুক্ত খামারি রয়েছেন তিন হাজার ৫১৫ জন। খামারগুলোতে গরু উৎপাদনের সক্ষমতা ৪৬ হাজার ২৮৩টি। ছাগল ১৯ হাজার ৩৪৬টি এবং ভেড়া উৎপাদন হয়েছে ৪৪৬টি । মোট উৎপাদন হয়েছে ৬৬ হাজার ৯৮টি গবাদি পশু। এবার  কোরবানির জন্য গবাদিপশু প্রয়োজন ৭৫ হাজার ২৪৮টি। ঈদ (ঈদুল আজহা) ঘিরে গবাদিপশুর বাজার সরগম হয়ে উঠেছে। সরকারি হিসাবে দেশে চাহিদার তুলনায় বেশি আছে কোরবানিযোগ্য পশু। বিভিন্ন জেলা থেকেও একই খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জেলা আসন্ন কোরবানির ঈদ (ঈদুল আজহা) ঘিরে গবাদিপশুর বাজার সরগম হয়ে উঠেছে। সরকারি হিসাবে দেশে চাহিদার তুলনায় বেশি আছে কোরবানিযোগ্য পশু। বিভিন্ন জেলা থেকেও একই খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে । চাহিদার তুলনায় কোরবানিযোগ্য পশুর ঘাটতি রয়েছে।

পুরাতন সংবাদ পড়ুন
« এপ্রিল ২০২৬ »
সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
  
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০   

অনুসরণ করুন