স্টাফ রিপোর্টার: আগামী ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য লেখক, শিল্পী ও সংস্কৃতি কর্মীদের জাতীয় কনভেনশন সফল করার লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন প্রগতিশীল ও বামপন্থী রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ২৪ জুন (বুধবার) বিকাল ৫ টায় বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য’-এর উদ্যোগে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক জামশেদ আনোয়ার তপন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক ধারাকে বেগবান করতে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের এই সময়োপযোগী উদ্যোগ ও ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। নেতারা আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের জাতীয় কনভেনশনের প্রতি তাঁদের দলগত পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং জেলা পর্যায়ে এই আন্দোলন ও উদ্যোগকে ছড়িয়ে দিতে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)-র সাধারণ সম্পাদক কমরেড ক্বাফী রতন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর সাধারণ সম্পাদক কমরেড বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক কমরেড ইকবাল কবির জাহিদ এবং বাসদ (মার্কসবাদী)-র কেন্দ্রীয় নেতা কমরেড মাসুম রানা।
এছাড়াও বাংলাদেশ জাসদ-এর নেতা নাজমুল হক প্রধান, ফ্যাসিবাদ বিরোধী বাম মোর্চার নেতা কমরেড নাসির উদ্দিন নাসু, বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের নেতা কমরেড শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির নেত্রী মোশারেফা মিশু, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের নেতা ডাঃ ফয়জুল হাকিম লালা, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের নেতা হারুন রশীদ ভুঁইয়া, সোনার বাংলা পার্টির নেতা সৈয়দ হারুন অর রশীদ ভুঁইয়া এবং ইউপিডিএফ নেতা অমল ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সভায় বক্তব্য রাখেন।
রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দও সভায় নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মফিজুর রহমান লালটু, জাকির হোসেন, বিমল কান্তি দাস, কবি রঘু অভিজিৎ রায়, রঞ্জন দাস শিবু, ইকবালুল হক খান, হাবিবুল আলম ও কামারুজ্জামান ভূঁইয়া প্রমুখ।
সভায় নেতৃবৃন্দ জানান, আগামী ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যশালায় লেখক, শিল্পী ও সংস্কৃতি কর্মীদের এই জাতীয় কনভেনশন অনুষ্ঠিত হবে। এর প্রস্তুতি হিসেবে আগামী দিনগুলোতে দেশের প্রতিটি জেলায় কর্মীসভা করা হবে। জাতীয় কনভেনশনে দেশের সব জেলা থেকে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন এবং তাঁদের মতামতের ভিত্তিতে দেশে একটি প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের বিকল্প ধারা গড়ে তোলা হবে। পুঁজিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও সাম্প্রদায়িক প্রতিক্রিয়াশীল সংস্কৃতির আগ্রাসন মোকাবেলা করে গণমানুষের কল্যাণে এবং মানব মুক্তির পরিপূরক একটি সুস্থ সংস্কৃতি গড়ে তোলাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।














