স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আঞ্চলিক প্রভুরা বুঝতে পেরেছেন, এ দেশে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনীতির পুনরুত্থান হয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছরের ষড়যন্ত্র এবং তাদের আধিপত্যবাদের নিপাত হয়েছে। তাদের সেবাদাস পুতুল সরকার তাদের কাছেই আশ্রয় নিয়েছে। সুতরাং ষড়যন্ত্র থেমে থাকবে না। তবুও আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে আয়োজিত আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের বাসনা ছিল, যে যেখানে যাবে সেখানেই চিরস্থায়ী হবে। তাদের মধ্যে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার প্রবণতা লক্ষ করেছি। যমুনার অন্দরে এক দল, যমুনার কিনারে ছিল আরেক দল। সমস্ত কিছু দখল করে, সংস্কার-বিচার করে তাদের লক্ষ্য ছিল, নির্বাচনকে পিছিয়ে দেওয়া। তখন রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলাপ-আলোচনা, সমঝোতা ছিল না।
তিনি বলেন, শুধু ৩৬ দিনের আন্দোলনে জুলাই অভ্যুত্থান হয়নি। ইলিয়াস এখনো ফিরে আসেনি। গুম হওয়া যারা এখনো ফিরে আসেনি, তাদের পরিবার জানে কত ত্যাগ-তিতিক্ষা করতে হয়েছে এই চব্বিশ আসতে। দেশের স্বাধীনতা যেমন একক কারও ক্রেডিট নয়, তেমনি চব্বিশও কারও একার নয়। কেউ যদি এটা নিজেদের দাবি করতে থাকে, তাহলে কারোই থাকবে না।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, চব্বিশের মালিকানা যারা দাবি করতে থাকে, এই নবীনদের রাজনীতি নবীনই থেকে যাবে, কোনো দিন বড় হতে পারবে না। যারা ইতিহাস জানে না, তাদের সঙ্গে তর্ক করা আহাম্মকের কাজ।
সরকারি অফিসারদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের দরকার নেই। আপনারা সিভিল সার্ভিস, আপনাদের কাজ হবে দেশসেবা করা। রাজনৈতিক প্রেশারে, লোভে অথবা ভয়ে ২০১৪, ২০১৮-তে যারা নির্বাচন করেছে, তাদের কারণে সমস্ত প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এ সময় তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির মতো আর ২-১টা ভোট হলেই নির্বাচনব্যবস্থা পিওর হয়ে যাবে। এর মাধ্যমে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার সূচনা হয়েছে। আমরা সেই সরকার যারা ৫ বছর পরপর ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন হওয়ার প্রত্যয় রাখি। কারণ পৃথিবীতে কেউ চিরস্থায়ী নয়, কোনো সরকার চিরস্থায়ী নয়। ৫১ ভাগ মানুষ যেখানে যাবে, তারাই সরকার হবে।



















