শনিবার, ৪ঠা জুলাই ২০২৬, রাত ৪:১৬

সাহাবিরা যেভাবে আশুরার রোজা রাখতেন

রমজানের পর আল্লাহ তায়ালার কাছে সবচেয়ে প্রিয় মাস মহররম মাস। মুহাররম মাসের সব থেকে মহিমান্বিত দিন  ‘ইয়াওমে আশুরা’ তথা মুহাররমের দশ তারিখ। হাদীসে আশুরার দিনের অনেক ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। আশুরার দিনকে রোজা, তওবা,সদকা ও বিভিন্ন ইবাদতের মাধ্যমে উদযাপন করতেন সাহাবিরা।

সাহাবিরা এ দিনে শিশুদেরকেও রোজা রাখতে অভ্যস্ত করতেন। বিখ্যাত নারী সাহাবী হজরত রুবায়্যি‘ বিনতে মুআববিয (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) আশুরার দিন সকালে আনসারদের এলাকায় লোক মারফত এ খবর পাঠালেন—

যে আজ সকালে খেয়েছে সে যেন সারাদিন আর না খায়। আর যে সকালে খায়নি সে যেন রোজা পূর্ণ করে।

ওই নারী সাহাবী বলেন, এরপর থেকে আমরা নিজেরাও এ দিনে রোজা রাখতাম এবং আমাদের বাচ্চাদেরও রোজা রাখতে উৎসাহিত করতাম। তাদের জন্য আমরা খেলনা বানিয়ে রাখতাম। তারা খাবারের জন্য কান্নাকাটি করলে তাদেরকে খেলনা দিয়ে শান্ত করতাম। ইফতার পর্যন্ত এ নিয়ে তার সময় কেটে যেত। (সহিহ বুখারী, হাদীস : ১৯৬০; সহিহ মুসলিম, হাদীস : ১১৩৬)।

আশুরার রোজা যেভাবে রাখবো

আশুরার মূল রোজা ১০ মুহাররম। তবে আশুরার রোজা রাখার ক্ষেত্রে উত্তম হলো, ১০ মুহাররমের আগে বা পরে অর্থাৎ, ৯ বা ১১ তারিখে একদিন অতিরিক্ত রোজা রাখা। ৯ তারিখে রাখতে পারলে ভালো। কারণ হাদীসে নয় তারিখের কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।

পুরাতন সংবাদ পড়ুন
« আগস্ট ২০৩০ »
সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
   
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১ 

অনুসরণ করুন