মঙ্গলবার, ৩০শে জুন ২০২৬, দুপুর ১:২৯

সালাম পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ অভিবাদন

পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ শান্তি চায়। ব্যক্তি জীবনে শান্তি, পরিবারে শান্তি, সমাজে শান্তি, রাষ্ট্রে শান্তি—মানবজাতির সকল আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দু যেন এই একটি শব্দ, ‘শান্তি’। কিন্তু শান্তি কেবল একটি আকাঙ্ক্ষার নাম নয়; এটি একটি সংস্কৃতি, একটি মূল্যবোধ এবং একটি জীবনদর্শন। আর সেই শান্তির পূর্ণাঙ্গ জীবনদর্শন নিয়ে এসেছে ইসলাম। ইসলাম মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিটি বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক, সামাজিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ইসলাম যে অপূর্ব শিক্ষাগুলো দিয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো সালাম। সালাম শুধু একটি সম্ভাষণ বা অভিবাদন নয়; এটি একটি দোয়া, একটি অঙ্গীকার, একটি মানবিক ঘোষণা এবং একটি বিশ্বাসের বহিঃপ্রকাশ। একজন মুসলমান যখন

আজকের ৫ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি, ২৩ জুন ২০২৬

প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিকমতো আদায় করলে আল্লাহ তায়ালা গুনাহ মাফ করে জান্নাত দেবেন। সময়মতো নামাজ আদায়ের জন্য যারা সময়ের আগেই মসজিদে উপস্থিত হয় এবং নামাজের জন্য অপেক্ষা করে ফেরেশতারা তাদের জন্য দোয়া করেন। রাসুল (সা.) বলেন, ‘আজান দেওয়া এবং প্রথম কাতারে দাঁড়ানোর মধ্যে যে কী মর্যাদা আছে তা যদি মানুষ জানতে পারত, তাহলে তা পাওয়ার জন্য তারা প্রয়োজনবোধে লটারি করত। জোহরের নামাজের যে মর্যাদা আছে তা যদি তারা জানতে পারত, তাহলে তারা এটা লাভ করার জন্য প্রতিযোগিতায় লেগে যেত। এশা ও ফজরের নামাজের মধ্যে যে (তাদের জন্য) কী মর্যাদা রয়েছে, তা যদি জানতে পারত, তাহলে তারা হামাগুঁড়ি দিয়ে হলেও

নামাজের সময়সূচি – ২২ জুন ২০২৬

প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিকমতো আদায় করলে আল্লাহ তায়ালা গুনাহ মাফ করে জান্নাত দেবেন। সময়মতো নামাজ আদায়ের জন্য যারা সময়ের আগেই মসজিদে উপস্থিত হয় এবং নামাজের জন্য অপেক্ষা করে ফেরেশতারা তাদের জন্য দোয়া করেন। রাসুল (সা.) বলেন, ‘আজান দেওয়া এবং প্রথম কাতারে দাঁড়ানোর মধ্যে যে কী মর্যাদা আছে তা যদি মানুষ জানতে পারত, তাহলে তা পাওয়ার জন্য তারা প্রয়োজনবোধে লটারি করত। জোহরের নামাজের যে মর্যাদা আছে তা যদি তারা জানতে পারত, তাহলে তারা এটা লাভ করার জন্য প্রতিযোগিতায় লেগে যেত। এশা ও ফজরের নামাজের মধ্যে যে (তাদের জন্য) কী মর্যাদা রয়েছে, তা যদি জানতে পারত, তাহলে তারা হামাগুঁড়ি দিয়ে হলেও

সাহাবিরা যেভাবে আশুরার রোজা রাখতেন

রমজানের পর আল্লাহ তায়ালার কাছে সবচেয়ে প্রিয় মাস মহররম মাস। মুহাররম মাসের সব থেকে মহিমান্বিত দিন  ‘ইয়াওমে আশুরা’ তথা মুহাররমের দশ তারিখ। হাদীসে আশুরার দিনের অনেক ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। আশুরার দিনকে রোজা, তওবা,সদকা ও বিভিন্ন ইবাদতের মাধ্যমে উদযাপন করতেন সাহাবিরা। সাহাবিরা এ দিনে শিশুদেরকেও রোজা রাখতে অভ্যস্ত করতেন। বিখ্যাত নারী সাহাবী হজরত রুবায়্যি‘ বিনতে মুআববিয (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) আশুরার দিন সকালে আনসারদের এলাকায় লোক মারফত এ খবর পাঠালেন— যে আজ সকালে খেয়েছে সে যেন সারাদিন আর না খায়। আর যে সকালে খায়নি সে যেন রোজা পূর্ণ করে। ওই নারী সাহাবী বলেন, এরপর থেকে আমরা নিজেরাও এ দিনে রোজা রাখতাম এবং আমাদের

মুহাররমকে ‘আল্লাহর মাস’ বলা হয় যে কারণে

ইসলামি বর্ষপঞ্জির অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং পবিত্র মাস হিসেবে গণ্য করা হয় মহিমান্বিত মুহাররমকে। অসংখ্য ফজিলত ও বৈশিষ্ট্যে মণ্ডিত এই মাস মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মূলত কয়েকটি বিশেষ কারণে মুহাররমকে আল্লাহর মাস বলা হয়। এই মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত নিচে তুলে ধরা হলো: আল্লাহর প্রতি বিশেষ সম্পর্কযুক্ত রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজে এই মাসকে শাহরুল্লাহ বা আল্লাহর মাস হিসেবে নামকরণ করেছেন। ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, কোনো কিছুকে মহান আল্লাহর নিজের নামের সাথে জুড়ে দেওয়াটা সেই বিষয়ের সর্বোচ্চ মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ বহন করে। কারণ আল্লাহ তাআলা তার সৃষ্টিজগতের মধ্যে শুধু বিশেষ ও সম্মানিত জিনিসকেই নিজের দিকে সম্বন্ধিত করেন। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে

অনুসরণ করুন