মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১:১৮

১০ জুলাই ২০২৬: আজকের নামাজের সময়সূচি

প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিকমতো আদায় করলে আল্লাহ তায়ালা গুনাহ মাফ করে জান্নাত দেবেন। সময়মতো নামাজ আদায়ের জন্য যারা সময়ের আগেই মসজিদে উপস্থিত হয় এবং নামাজের জন্য অপেক্ষা করে ফেরেশতারা তাদের জন্য দোয়া করেন। রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘আমার প্রাণ যার হাতে, তার কসম করে বলছি! অবশ্যই আমি সংকল্প করেছি, আমি কাঠ সংগ্রহ করার নির্দেশ দেব, তারপর আমি নামাজের হুকুম দেব এবং এ জন্য আজান দেওয়া হবে, তারপর আমি এক ব্যক্তিকে হুকুম করব সে লোকদের নামাজ পড়াবে। এরপর আমি ওই লোকদের দিকে যাব, যারা জামাতে হাজির হয়নি। এবং তাদের বাড়িঘর তাদের সামনেই জ্বালিয়ে দেব।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৪২০) আজ শুক্রবার

আজকের নামাজের সময়সূচি

ইসলাম এমন এক পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, যেখানে প্রতিটি বিধানই মানুষের কল্যাণ, শৃঙ্খলা ও আত্মিক প্রশান্তির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে নামাজ ও রোজা, ধনী-দরিদ্র সবার জন্যই ফরজ। তাই যতই ব্যস্ততা থাকুক, ওয়াক্তমতো নামাজ আদায় করে নিতে হবে। আজ মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬ ইংরেজি, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বাংলা, ২১ মহররম ১৪৪৭ হিজরি। আজকের ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো— জোহর : ১২.০৭টা আজকের নামাজের সময়সূচি আসর : ৪.৪৩টা মাগরিব : ৬.৫৪টা এশা : ৮.২০টা আগামীকাল (বুধবার) ফজর শুরু: ৩.৫১টা বিভাগীয় শহর অনুযায়ী সময় পরিবর্তন ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। ঢাকার সময়ের

ড্রাগন চাষে চমকে দিয়েছেন শিক্ষক নাঈম

মাজহারুল ইসলাম নাঈম। একটি মাদ্রাসার আইসিটি বিষয়ক শিক্ষক তিনি। শিক্ষকতার পাশাপাশি অবসর সময়ে কিছু একটা করতে হবে এ ভাবনা থেকে অনাবাদি জমি ইজারা নিয়ে গড়ে তোলেন ফল বাগান।    এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। বর্তমানে তার বাগানে ৬ হাজার ড্রাগন গাছ। গাছের সারিতে বিপুল কাঁচা-পাকা ড্রাগন আর পেঁপে ও পেয়ারাসহ অন্য ফলও উৎপাদন হচ্ছে। সঙ্গে ছাগলও রয়েছে অর্ধশতাধিক। বর্তমানে মাজহারুল ইসলাম নাঈম চাকরির ফাঁকে বাগানে সময় দেন। এছাড়া ফল সংগ্রহ, বাছাই, প্যাকেজিং ও বাজারজাতকরণে নিয়মিত কাজ করছেন স্থানীয় কয়েকজন শ্রমিক। সদর উপজেলার মধ্য চররমনী মোহন গ্রামে নাঈমের বাগান। ২০২১ সালে ৩২০ শতাংশ জমি ইজারা নিয়ে তিনি বাণিজ্যিকভাবে বাগানটি

*লায়ন্স ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ বি২ বাংলাদেশের নতুন ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর মোহাম্মদ নূরুন্নবী ভূঁইয়া*

ঢাকা, ২ জুলাই ২০২৬: লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ বি২, বাংলাদেশের ২০২৬-২০২৭ সেবা বর্ষের জন্য নতুন ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন লায়ন মোহাম্মদ নূরুন্নবী ভূঁইয়া। বিশ্বখ্যাত এই মানবিক সেবা সংগঠনের জেলা গভর্নর হিসেবে তিনি আগামী এক বছর বাংলাদেশের লায়নিজমের নেতৃত্ব দেবেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। নতুন গভর্নর মোহাম্মদ নূরুন্নবী ভূঁইয়া সদ্য বিদায়ী ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর লায়ন মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার স্থলাভিষিক্ত হলেন। একই সাথে ডিস্ট্রিক্টের প্রথম ভাইস ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর হিসেবে লায়ন কাজী তারিফুল ইসলাম এবং দ্বিতীয় ভাইস ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর হিসেবে লায়ন রেজাউল করিম চৌধুরী দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এক বিবৃতিতে নবনির্বাচিত ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর মোহাম্মদ নূরুন্নবী

সালাম পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ অভিবাদন

পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ শান্তি চায়। ব্যক্তি জীবনে শান্তি, পরিবারে শান্তি, সমাজে শান্তি, রাষ্ট্রে শান্তি—মানবজাতির সকল আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দু যেন এই একটি শব্দ, ‘শান্তি’। কিন্তু শান্তি কেবল একটি আকাঙ্ক্ষার নাম নয়; এটি একটি সংস্কৃতি, একটি মূল্যবোধ এবং একটি জীবনদর্শন। আর সেই শান্তির পূর্ণাঙ্গ জীবনদর্শন নিয়ে এসেছে ইসলাম। ইসলাম মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিটি বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক, সামাজিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ইসলাম যে অপূর্ব শিক্ষাগুলো দিয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো সালাম। সালাম শুধু একটি সম্ভাষণ বা অভিবাদন নয়; এটি একটি দোয়া, একটি অঙ্গীকার, একটি মানবিক ঘোষণা এবং একটি বিশ্বাসের বহিঃপ্রকাশ। একজন মুসলমান যখন

আজকের ৫ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি, ২৩ জুন ২০২৬

প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিকমতো আদায় করলে আল্লাহ তায়ালা গুনাহ মাফ করে জান্নাত দেবেন। সময়মতো নামাজ আদায়ের জন্য যারা সময়ের আগেই মসজিদে উপস্থিত হয় এবং নামাজের জন্য অপেক্ষা করে ফেরেশতারা তাদের জন্য দোয়া করেন। রাসুল (সা.) বলেন, ‘আজান দেওয়া এবং প্রথম কাতারে দাঁড়ানোর মধ্যে যে কী মর্যাদা আছে তা যদি মানুষ জানতে পারত, তাহলে তা পাওয়ার জন্য তারা প্রয়োজনবোধে লটারি করত। জোহরের নামাজের যে মর্যাদা আছে তা যদি তারা জানতে পারত, তাহলে তারা এটা লাভ করার জন্য প্রতিযোগিতায় লেগে যেত। এশা ও ফজরের নামাজের মধ্যে যে (তাদের জন্য) কী মর্যাদা রয়েছে, তা যদি জানতে পারত, তাহলে তারা হামাগুঁড়ি দিয়ে হলেও

নামাজের সময়সূচি – ২২ জুন ২০২৬

প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিকমতো আদায় করলে আল্লাহ তায়ালা গুনাহ মাফ করে জান্নাত দেবেন। সময়মতো নামাজ আদায়ের জন্য যারা সময়ের আগেই মসজিদে উপস্থিত হয় এবং নামাজের জন্য অপেক্ষা করে ফেরেশতারা তাদের জন্য দোয়া করেন। রাসুল (সা.) বলেন, ‘আজান দেওয়া এবং প্রথম কাতারে দাঁড়ানোর মধ্যে যে কী মর্যাদা আছে তা যদি মানুষ জানতে পারত, তাহলে তা পাওয়ার জন্য তারা প্রয়োজনবোধে লটারি করত। জোহরের নামাজের যে মর্যাদা আছে তা যদি তারা জানতে পারত, তাহলে তারা এটা লাভ করার জন্য প্রতিযোগিতায় লেগে যেত। এশা ও ফজরের নামাজের মধ্যে যে (তাদের জন্য) কী মর্যাদা রয়েছে, তা যদি জানতে পারত, তাহলে তারা হামাগুঁড়ি দিয়ে হলেও

সাহাবিরা যেভাবে আশুরার রোজা রাখতেন

রমজানের পর আল্লাহ তায়ালার কাছে সবচেয়ে প্রিয় মাস মহররম মাস। মুহাররম মাসের সব থেকে মহিমান্বিত দিন  ‘ইয়াওমে আশুরা’ তথা মুহাররমের দশ তারিখ। হাদীসে আশুরার দিনের অনেক ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। আশুরার দিনকে রোজা, তওবা,সদকা ও বিভিন্ন ইবাদতের মাধ্যমে উদযাপন করতেন সাহাবিরা। সাহাবিরা এ দিনে শিশুদেরকেও রোজা রাখতে অভ্যস্ত করতেন। বিখ্যাত নারী সাহাবী হজরত রুবায়্যি‘ বিনতে মুআববিয (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) আশুরার দিন সকালে আনসারদের এলাকায় লোক মারফত এ খবর পাঠালেন— যে আজ সকালে খেয়েছে সে যেন সারাদিন আর না খায়। আর যে সকালে খায়নি সে যেন রোজা পূর্ণ করে। ওই নারী সাহাবী বলেন, এরপর থেকে আমরা নিজেরাও এ দিনে রোজা রাখতাম এবং আমাদের

মুহাররমকে ‘আল্লাহর মাস’ বলা হয় যে কারণে

ইসলামি বর্ষপঞ্জির অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং পবিত্র মাস হিসেবে গণ্য করা হয় মহিমান্বিত মুহাররমকে। অসংখ্য ফজিলত ও বৈশিষ্ট্যে মণ্ডিত এই মাস মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মূলত কয়েকটি বিশেষ কারণে মুহাররমকে আল্লাহর মাস বলা হয়। এই মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত নিচে তুলে ধরা হলো: আল্লাহর প্রতি বিশেষ সম্পর্কযুক্ত রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজে এই মাসকে শাহরুল্লাহ বা আল্লাহর মাস হিসেবে নামকরণ করেছেন। ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, কোনো কিছুকে মহান আল্লাহর নিজের নামের সাথে জুড়ে দেওয়াটা সেই বিষয়ের সর্বোচ্চ মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ বহন করে। কারণ আল্লাহ তাআলা তার সৃষ্টিজগতের মধ্যে শুধু বিশেষ ও সম্মানিত জিনিসকেই নিজের দিকে সম্বন্ধিত করেন। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে

অনুসরণ করুন