রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১২:৪১

ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনের ৬ উপায়

রাসুলুল্লাহ হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম উপলক্ষে মুসলমানদের মধ্যে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের প্রচলন রয়েছে। নবীজি (সা.)-এর জন্মের স্মরণে পালিত এ আয়োজনকে সাধারণত মিলাদ বা মাওলিদ বলা হয়।  ৫ উপায়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জন্ম দিনটি পালন করা যেতে পারে— ১. রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জন্ম উপলক্ষে গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল হলো তার প্রতি দরুদ পাঠ ও সালাম পেশ করা। তার প্রতি দরুদ পাঠের মাধ্যমে মুসলমানরা শাফায়াত লাভ করবেন। এক হাদিসে মহানবী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তার প্রতি দশবার রহমত বর্ষণ করেন, তার দশটি গুনাহ মুছে দেন এবং তার মর্যাদা দশ ধাপ বৃদ্ধি করেন।

**বিপদের সময়ে আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার ৩ আমল**

বিপদ, দুঃখ ও নানা প্রতিকূলতা মানুষের জীবনের স্বাভাবিক অংশ। এমন পরিস্থিতিতে হতাশ না হয়ে আল্লাহর ওপর আস্থা ও ভরসা রাখা মুমিনের অন্যতম গুণ। বিপদ থেকে মুক্তি ও আল্লাহর সাহায্য পেতে তাঁর কাছে প্রার্থনা করা এবং তাঁর ওপর নির্ভর করাই একজন মুমিনের দায়িত্ব।  একজন মুমিনের জন্য বিপদ-আপদ আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষা। তবে আল্লাহর পরীক্ষা বা বিপদ বলতে কী বোঝায়, তা বুঝতে হবে একটি হাদিসের মাধ্যমে। সাহাবিরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে জানতে চেয়েছিলেন, কারা সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন— আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, ‘হে আল্লাহর রাসুল, মানুষের মধ্যে কারা সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হন?’ তিনি উত্তরে বলেন, ‘নবীরা,

বিপদ-আপদ থেকে নিরাপদ থাকতে ৫টি দোয়া

পরিবারকে বিভিন্ন বিপদ-আপদ, রোগব্যাধি ও কঠিন পরিস্থিতি থেকে মুক্ত রাখতে নিয়মিত জিকির ও দোয়ার বিকল্প নেই। দৈনন্দিন জীবনে নিরাপত্তার জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো বিশেষ ৫টি দোয়া তুলে ধরা হলো। ১. সর্বপ্রকার ক্ষতি থেকে সুরক্ষার দোয়া আরবি: بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ উচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদুররু মাআসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়া লা ফিস-সামায়ি ওয়া হুয়াস-সামিউল আলিম। অর্থ: আল্লাহর নামে শুরু করছি, যার নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই কোনো ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ। (সুনান আবি দাউদ) ২. ক্ষমা ও সার্বিক কল্যাণের দোয়া আরবি: اللَّهُمَّ إِنِّي

প্রতিশোধ ক্ষণিকের তৃপ্তি, ক্ষমা চিরস্থায়ী শান্তি।

মানুষের জীবনে অপমান, কষ্ট, বিশ্বাসঘাতকতা কিংবা অবিচারের মুখোমুখি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিশোধ নেওয়ার প্রবল ইচ্ছা জাগা মানবীয় স্বভাব। কিন্তু ইসলাম মানুষের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে তাকে উচ্চতর নৈতিকতায় উন্নীত হতে শিক্ষা দেয়। প্রতিশোধের পরিবর্তে ক্ষমা, বিদ্বেষের পরিবর্তে দয়া এবং ঘৃণার পরিবর্তে উদারতা— এগুলোই ইসলামের সৌন্দর্য। কুরআন ও সুন্নাহ আমাদের শেখায়, প্রকৃত শক্তি প্রতিশোধে নয়; বরং নিজের ক্রোধকে সংযত করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ক্ষমা করে দেওয়ায়। যে হৃদয় ক্ষমা করতে শেখে, সে-ই প্রকৃত অর্থে বিজয়ী। প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার ও ক্ষমার শিক্ষা প্রচলিত একটি প্রবাদ আছে— প্রতিশোধের আগুন বুকে পুষে রাখা আর জ্বলন্ত কয়লা হাতে ধরে রাখার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই;

যে ৪ সময়ে আয়াতুল কুরসি পাঠ করলে বেশি উপকার মেলে

‘আয়াতুল কুরসি’ পবিত্র কোরআনের সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত। হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) এটিকে কোরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কারণ, এই আয়াতে মহান আল্লাহর একত্ব, সর্বজ্ঞতা, অসীম ক্ষমতা ও সর্বময় কর্তৃত্ব অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও গভীরভাবে বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ তাআলার গুণাবলির এমন বিস্তৃত ও অনন্য বিবরণ কোরআনের অন্য কোনো একক আয়াতে পাওয়া যায় না। (সহিহ মুসলিম: ৮১০) আয়াতুল কুরসি যে কোনো সময় তিলাওয়াত করা অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ একটি আমল। তবে বিভিন্ন হাদিসে এমন চারটি বিশেষ সময়ের কথা উল্লেখ রয়েছে, যখন এই আয়াত পাঠের বিশেষ ফজিলত, সওয়াব ও উপকারিতার বর্ণনা পাওয়া যায়। নিচে কালবেলার পাঠকদের জন্য সেই সময়গুলো তুলে ধরা হলো।

অনুসরণ করুন