মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই ২০২৬, সকাল ৬:০২

প্রতিশোধ ক্ষণিকের তৃপ্তি, ক্ষমা চিরস্থায়ী শান্তি।

মানুষের জীবনে অপমান, কষ্ট, বিশ্বাসঘাতকতা কিংবা অবিচারের মুখোমুখি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিশোধ নেওয়ার প্রবল ইচ্ছা জাগা মানবীয় স্বভাব। কিন্তু ইসলাম মানুষের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে তাকে উচ্চতর নৈতিকতায় উন্নীত হতে শিক্ষা দেয়। প্রতিশোধের পরিবর্তে ক্ষমা, বিদ্বেষের পরিবর্তে দয়া এবং ঘৃণার পরিবর্তে উদারতা— এগুলোই ইসলামের সৌন্দর্য। কুরআন ও সুন্নাহ আমাদের শেখায়, প্রকৃত শক্তি প্রতিশোধে নয়; বরং নিজের ক্রোধকে সংযত করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ক্ষমা করে দেওয়ায়। যে হৃদয় ক্ষমা করতে শেখে, সে-ই প্রকৃত অর্থে বিজয়ী। প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার ও ক্ষমার শিক্ষা প্রচলিত একটি প্রবাদ আছে— প্রতিশোধের আগুন বুকে পুষে রাখা আর জ্বলন্ত কয়লা হাতে ধরে রাখার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই;

যে ৪ সময়ে আয়াতুল কুরসি পাঠ করলে বেশি উপকার মেলে

‘আয়াতুল কুরসি’ পবিত্র কোরআনের সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত। হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) এটিকে কোরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কারণ, এই আয়াতে মহান আল্লাহর একত্ব, সর্বজ্ঞতা, অসীম ক্ষমতা ও সর্বময় কর্তৃত্ব অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও গভীরভাবে বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ তাআলার গুণাবলির এমন বিস্তৃত ও অনন্য বিবরণ কোরআনের অন্য কোনো একক আয়াতে পাওয়া যায় না। (সহিহ মুসলিম: ৮১০) আয়াতুল কুরসি যে কোনো সময় তিলাওয়াত করা অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ একটি আমল। তবে বিভিন্ন হাদিসে এমন চারটি বিশেষ সময়ের কথা উল্লেখ রয়েছে, যখন এই আয়াত পাঠের বিশেষ ফজিলত, সওয়াব ও উপকারিতার বর্ণনা পাওয়া যায়। নিচে কালবেলার পাঠকদের জন্য সেই সময়গুলো তুলে ধরা হলো।

অনুসরণ করুন