শনিবার, ৩১শে অক্টোবর ২০২৬, রাত ২:৫৩

খালি পেটে জিরা ভেজানো পানি পান করলে কি হয়?

সকালে খালি পেটে জিরা ভেজানো পানি পান করার অভ্যাস দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ঐতিহ্যগতভাবে রান্নার পাশাপাশি ঘরোয়া স্বাস্থ্যচর্চায়ও জিরার ব্যবহার রয়েছে। অনেকেই দিনের শুরুতে এই পানীয় পান করেন হজমের সমস্যা কমানো, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং শরীর সতেজ রাখার আশায়। তবে জিরা ভেজানো পানি পান করলেই এসব উপকার নিশ্চিতভাবে পাওয়া যাবে, এমন প্রমাণ সীমিত। এর সম্ভাব্য উপকারিতা সম্পর্কে জানতে হলে জিরার গুণাগুণ এবং এ বিষয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণার তথ্য বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। চলুন জেনে নেওয়া যাক সকালে খালি পেটে জিরা ভেজানো পানি পান করলে কী কী উপকার পাওয়া যেতে পারে- হজমে সহায়তা করতে পারে জিরা দীর্ঘদিন ধরেই হজমের সমস্যা কমাতে ঐতিহ্যগতভাবে

গরম পানি ব্যবহারে কি ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে?

সোশ্যাল মিডিয়া এমন সব ভিডিওতে ভরা, যেখানে দাবি করা হয় যে মুখের জন্য গরম পানি একেবারেই ব্যবহার করা উচিত নয়। কেন? ভিডিও ক্লিপগুলোতে বলা হয় যে মুখে গরম পানি ব্যবহার করলে অকাল বার্ধক্য দেখা দিতে পারে। তাই শুধুমাত্র ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। শুধু সোশ্যাল মিডিয়াই নয়, অনেক ত্বক বিশেষজ্ঞরাও এই বিশ্বাসটি প্রচার করেছেন। কিন্তু এর পেছনে কতটা সত্যতা আছে? গরম পানি কি মুখে বলিরেখা সৃষ্টি করতে পারে? গরম পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে কি বার্ধক্য আসে? গরম পানিতে গোসল করা দারুণ আরামদায়ক হতে পারে, বিশেষ করে ঠান্ডা আবহাওয়ায়। কিন্তু ত্বক নিয়ে একটি প্রশ্ন থেকেই যায়: গরম

প্রতিদিন কতটুকু পানি পান করা প্রয়োজন, জানুন সহজ হিসাব

সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখা, পুষ্টি উপাদান পরিবহন এবং শরীর থেকে বর্জ্য বের করে দিতে পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে প্রতিদিন ঠিক কতটুকু পানি পান করা প্রয়োজন, তা নির্ভর করে বয়স, শারীরিক পরিশ্রম, আবহাওয়া ও স্বাস্থ্যের ওপর। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সবার জন্য পানির চাহিদা এক নয়। সাধারণভাবে একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক প্রায় ২ থেকে ৩ লিটার পানীয় গ্রহণের প্রয়োজন হতে পারে। তবে এটি সবার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ নয়। খাবার থেকেও শরীর কিছু পানি পায়। তাই দৈনিক পানির চাহিদা নির্ধারণের ক্ষেত্রে ব্যক্তিভেদে পার্থক্য বিবেচনা করা জরুরি। কোন বিষয়গুলো পানির চাহিদা

ডায়াবেটিস? নিয়ন্ত্রণে রাখতে যা খাবেন

ডায়াবেটিস নিয়ে জীবনযাপন করার অর্থ হলো আপনি কী খাচ্ছেন সেদিকে বাড়তি মনোযোগ দেওয়া। শুধু চিনি এড়িয়ে চলাই যথেষ্ট নয়, বরং এমন খাবার খাওয়া প্রয়োজন যা আপনার শরীরকে আরও ভালোভাবে কাজ করতে সাহায্য করবে। এক্ষেত্রে একটি পুষ্টি উপাদান যা বেশিরভাগ সময় আড়ালে থেকে যায়। তা হলো ক্রোমিয়াম। এটি একটি স্বল্পমাত্রার খনিজ যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আশ্চর্যজনকভাবে বড় ভূমিকা পালন করে। যদিও আমাদের খুব অল্প পরিমাণে প্রয়োজন হয়, তবে ক্রোমিয়াম ইনসুলিনকে তার কাজ আরও কার্যকরভাবে করতে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এর অর্থ হলো গ্লুকোজের আরও ভালো নিয়ন্ত্রণ, রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া কমানো এবং সারাদিন ধরে স্থিতিশীল শক্তি বজায়

ব্ল্যাক কফি নাকি গ্রিন টি, কোনটি বেশি উপকারী?

ওজন কমানো বা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাবারের পাশাপাশি প্রতিদিন কী পান করছেন, সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি। বিশেষ করে চিনি ও অতিরিক্ত ক্যালোরিযুক্ত পানীয়ের বদলে স্বাস্থ্যকর বিকল্প বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এ কারণে অনেকেই চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি কিংবা গ্রিন টি নিয়মিত পান করেন। ব্ল্যাক কফি ও গ্রিন টি দুটিতেই এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা শরীরের বিপাকক্রিয়া, সজাগতা ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে কোনটি বেশি উপকারী, তা নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে ওজন কমানো কিংবা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে দুটির প্রভাব এক নয়। পানীয়টির উপাদান, গ্রহণের পরিমাণ এবং ব্যক্তির সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসের ওপর এর উপকারিতা অনেকটাই নির্ভর করে।

দাঁড়িয়ে পানি পান করলে কি সত্যিই জয়েন্টের ক্ষতি হয়?

আপনি নিশ্চয়ই এই প্রচলিত ধারণাটি শুনেছেন যে, দাঁড়িয়ে পানি পান করলে তা আপনার অস্থিসন্ধির স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। এই ধারণাটির উৎস হলো কিছু ঐতিহ্যবাহী বিশ্বাস, যেখানে মনে করা হয় শরীরের দ্রুত তরল প্রবাহ শারীরিক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। তাহলে এটি কি আসলেই একটি প্রচলিত ধারণা, না কি এর মধ্যে কোনো সত্যতা আছে? এছাড়াও পানি পানের ক্ষেত্রে বসে নাকি দাঁড়িয়ে পান করা ভালো? চলুন জেনে নেওয়া যাক- দাঁড়িয়ে পানি পান করলে কি সত্যিই অস্থিসন্ধির ক্ষতি হয়? দাঁড়িয়ে পানি পান করলে তা কি আপনার অস্থিসন্ধির স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে? আসলে এটি একটি প্রচলিত ধারণা। অনেক রোগীই জানতে চান যে দাঁড়িয়ে পানি পান

শিশুকে ফিডারে দুধ খাওয়ান? জেনে নিন জীবাণুমুক্ত রাখার উপায়

যেসব বাবা-মা তাদের সন্তানদের ফিডারে দুধ খাওয়ান, তাদের জন্য এই বোতলগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করা নিশ্চিত করা জরুরি। প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকে এবং অপরিষ্কার বোতল সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। আপনার শিশুকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা করতে তার ফিডার অবশ্যই সঠিকভাবে ধুতে ও জীবাণুমুক্ত করতে হবে। শুধু পানি দিয়ে শিশুর ফিডার ধুয়ে ফেলাই যথেষ্ট নয়। গবেষণায় দেখা গেছে যে, শিশুদের ডায়রিয়া এবং বমির কারণ হতে পারে এমন সংক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য বোতল এবং নিপল উভয়ই জীবাণুমুক্ত করা অপরিহার্য। সিডিসির (CDC) মতে, প্রতিবার খাওয়ানোর পর শিশুর বোতল পরিষ্কার করা উচিত। যদি আপনার শিশু দুই ঘণ্টার মধ্যে দুধ

লাইফস্টাইল হেলথ-টিপস দ্রুত মেদ কমাতে চাইলে সকালের নাশতা যেসব খাবার রাখবেন

সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সকালের নাশতা গুরুত্বপূর্ণ। দিনের শুরুতে শরীর ও মস্তিষ্ককে কাজের জন্য প্রস্তুত করতে পুষ্টিকর খাবার প্রয়োজন। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে অনেকেই সকালের খাবার বাদ দেন। হাতে সময় নেই, তাই কিছু খাওয়ার সুযোগ হয়নি-এমন অজুহাত প্রায়ই শোনা যায়। অথচ সময় কম থাকলেও কয়েক মিনিটে তৈরি করা যায় বেশ কিছু সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবার। বিশেষ করে ওজন কমানোর চেষ্টা করলে সকালের নাশতায় প্রোটিন, ফাইবার ও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান রাখা উপকারী হতে পারে। এতে খাবারটি শুধু পুষ্টিকরই হবে না, দীর্ঘসময় পেট ভরা রাখতেও সাহায্য করতে পারে। তাই ব্যস্ত সকালেও তৈরি করে নিতে পারেন সহজ কয়েকটি খাবার। ওটসের কাটলেট সকালের নাশতায় ওটস দিয়ে

সিলিন্ডার গ্যাস সাশ্রয়ে মেনে চলুন যেসব কৌশল

দিন দিন সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়ায় রান্নার খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন অনেকেই। রান্না, পানি গরম করাসহ প্রতিদিনের নানা কাজে এলপিজি সিলিন্ডারের ব্যবহার এখন প্রায় অপরিহার্য। তবে কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলে একই পরিমাণ গ্যাস দিয়ে আরও কয়েক দিন চালানো সম্ভব। যে সিলিন্ডার সাধারণত ২০ দিনে শেষ হয়, কিছু কৌশল মেনে সেটি ২৫ দিন পর্যন্ত ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে কিছুটা হলেও খরচ কমবে। রান্নার সময় পাত্র ঢেকে রাখলে গ্যাসের ব্যবহার কমানো যায়। ঢাকনা দেওয়া থাকলে পাত্রের ভেতরের তাপ সহজে বেরিয়ে যেতে পারে না। ফলে খাবার দ্রুত সেদ্ধ বা রান্না হয় এবং চুলায় কম সময় গ্যাস জ্বালাতে হয়। পানি ফোটানো, ভাত বা

চুলকানির সমস্যা বেশিদিন থাকলে যে রক্ত পরীক্ষা করানো জরুরি

র‍্যাশ ছাড়াই টানা চুলকানি হলে সতর্ক হতে হবে। এটি কোনো জটিল রোগের লক্ষণও হতে পারে। চুলকানি ছয় সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে অবহেলা না করে ৪ ধরনের রক্ত পরীক্ষা করানো জরুরি। অনেকের ত্বকই শুষ্ক হয়ে থাকে, তা অস্বাভাবিক কিছু নয়। মাঝেমধ্যে ত্বকে চুলকানি হওয়াও স্বাভাবিক। তবে ত্বকে যদি আচমকা কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করেন, তাহলে সেটি এড়িয়ে যাওয়া ঠিক হবে না। ত্বক শুকিয়ে খসখসে হয়ে যাওয়া, তাতে কালচে দাগ ছোপ পড়া, অথবা কেটে গেলে সেই ক্ষত শুকোতে দেরি হওয়া কোনো সাধারণ লক্ষণ নয়। তা জানান দেয় কোনো রোগ তলে তলে শরীরে বাসা বাঁধছে। চুলকানি হলে বেশির ভাগ মানুষ প্রথমে ত্বকের ক্রিম খোঁজেন।

অনুসরণ করুন